2025 - 01 - 16 213

ইসতেগফারের আদাবঃ
১- পবিত্রতাঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
مَا مِنْ رَجُلٍ يُذْنِبُ ذَنْبًا، ثُمَّ يَقُومُ فَيَتَطَهَّرُ، ثُمَّ يُصَلِّي، ثُمَّ يَسْتَغْفِرُ اللَّهَ، إِلاَّ غَفَرَ اللَّهُ لَهُ، ثُمَّ قَرَأَ هَذِهِ الآيَةَ: ﴿وَالَّذِينَ إِذَا فَعَلُوا فَاحِشَةً أَوْ ظَلَمُوا أَنْفُسَهُمْ ذَكَرُوا اللَّهَ فَاسْتَغْفَرُوا لِذُنُوبِهِمْ وَمَن يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا اللَّهُ وَلَمْ يُصِرُّوا عَلَىٰ مَا فَعَلُوا وَهُمْ يَعْلَمُونَ﴾
“এমন কোন মানুষ নেই যে পাপ করে, তারপর উঠে নিজেকে পবিত্র করে, তারপর সালাত আদায় করে, তারপর আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায়, অথচ আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন না, তারপর তিনি এই আয়াতটি পাঠ করেনঃ “তারা কখনও কোন অশ্লীল কাজ করে ফেললে কিংবা কোন মন্দ কাজে জড়িত হয়ে নিজের উপর জুলুম করে ফেললে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং নিজের পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে। আল্লাহ ছাড়া আর কে পাপ ক্ষমা করবেন? তারা নিজের কৃতকর্মের জন্য হঠকারিতা প্রদর্শন করে না এবং জেনে-শুনে তাই করতে থাকে না।” [সূরা আলে-ইমরান ১৩৫।]
২- উত্তম সময় চয়ন করাঃ হৃদয়ের উপস্থিতি এবং একাগ্রতার জন্য উপযুক্ত সময় বেছে নিতে হবে। এই সময়ের মধ্যে সর্বোত্তম হল রাতের শেষ ভাগ। যারা রাতের শেষ ভাগে ইসতেগফার করে আল্লাহ তাদের প্রশংসা করে বলেন,
﴿وَالْمُسْتَغْفِرِينَ بِالْأَسْحَارِ﴾
“এবং শেষরাতে ক্ষমা প্রার্থনাকারী।” সূরা আলে-ইমরান ১৭।
৩- বেশী বেশী ইসতেগফার করাঃ কোরআনের অনেক আয়াত এবং হাদীসে নববী দ্বারা এটি প্রমাণিত যা ক্ষমা চাওয়াকে উৎসাহিত করে এবং যারা ক্ষমা প্রার্থনা করে তাদের প্রশংসা করে।
৪- প্রত্যেক কর্মের শেষে ইসতেগফার করাঃ ইবনে আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহুমা সূরা নাসর إذا جاء نصر الله والفتح)) থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনাবসানের সময় নিকটবর্তী হয়েগিয়েছে বলে অনুমান করেছিলেন, কারণ এতে তাঁকে আল্লাহর তাসবীহ ও ইসতেগফার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

راسلنا