ইসতেগফারের শর্তাবলীঃ
ইসতেগফারের শর্ত রয়েছে, তা পূর্ণ করতে হবে যেন ক্ষমা লাভ হয়। এসব শর্তের মধ্যেঃ
১- আল্লাহর প্রতি হৃদয়ের আন্তরিকতা এবং শব্দের সাথে তার উপস্থিতিঃ আন্তরিকতা হল সমস্ত ইবাদাত কবূলের ভিত্তি। তাই নম্রতা ও দীনতা প্রদর্শনের সাথে এবং জিহ্বা যে শব্দ আবৃত্তি করে তার সাথে হৃদয়ের পূর্ণ উপস্থিতি সহ হৃদয়কে আন্তরিকভাবে আল্লাহর দিকে ফিরে যেতে হবে।
জিহ্বা দ্বারা আবৃত শব্দগুলোর মাধ্যমে অবশ্যই হৃদয়ে যা আছে তা শ্রদ্ধা ও বিনয়ের সাথে দৃঢ়ভাবে প্রকাশ করতে হবে।
২- পাপ কাজে জেদ না করাঃ ক্ষমাপ্রার্থীকে অবশ্যই তার কৃত পাপথেকে বিরত থাকতে হবে। আল্লাহ তা’আলা বলেন,
﴿وَلَمْ يُصِرُّوا عَلَىٰ مَا فَعَلُوا وَهُمْ يَعْلَمُونَ﴾
“তারা নিজের কৃতকর্মের জন্য হঠকারিতা প্রদর্শন করে না এবং জেনে-শুনে তাই করতে থাকে না।” সূরা আলে-ইমরান ১৩৫।
ফুজাইল ইবনে ইয়াজ রাহিমাহুল্লাহ বলেন, “পাপ পরিহার না করে ইসতেগফার করা মিথ্যাবাদীদের তাওবা।”
৩- অন্তরে বিশ্বাস, প্রতিদানের নিশ্চয়তা, ভাল কাজ করার ইচ্ছা এবং আনুগত্যঃ আল্লাহ তাআ’লা বলেন,
﴿إِلَّا مَن ظَلَمَ ثُمَّ بَدَّلَ حُسْنًا بَعْدَ سُوءٍ فَإِنِّي غَفُورٌ رَّحِيمٌ﴾
“তবে যে বাড়াবাড়ি করে এরপর মন্দ কর্মের পরিবর্তে সৎকর্ম করে। নিশ্চয় আমি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।” সূরা আন-নামল ১১
ইসতেগফারের ফলাফলঃ
ইসতেগফারের অনেক বড় ফলাফল আছে। তন্মধ্যেঃ
১- পাপের ক্ষমাঃ যে তার পাপ স্বীকার করবে তাকে ক্ষমা করা হবে।
২- আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং ভালবাসাঃ ক্ষমা চাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার সন্তুষ্টি এবং ভালবাসা নিয়ে আসে।
৩- সর্বশক্তিমান আল্লাহ তা’আলার দয়া বা রহমতঃ আল্লাহ তা’আলা বলেন,
لَوْلَا تَسْتَغْفِرُونَ اللَّهَ لَعَلَّكُمْ تُرْحَمُونَ﴿46﴾
“তোমরা আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছ না কেন? সম্ভবতঃ তোমরা দয়াপ্রাপ্ত হবে।” সূরা আন-নামল ৪৬।
৪- আযাব বা শাস্তি উঠিয়ে নেয়াঃ দুঃখকষ্ট উঠিয়ে নেয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কারণ ইসতেগফার করা। যেমন আল্লাহ তা’আলা বলেন,
وَما كانَ اللَّـهُ مُعَذِّبَهُم وَهُم يَستَغفِرونَ ﴿٣٣﴾ الانفال
“আর আল্লাহ তাদেরকে শাস্তি দেবেন না যখন তারা ক্ষমা প্রার্থনা করবে।” সূরা আল-আনফাল ৩৩
৫- অনেক কল্যাণ ও বরকত লাভঃ আল্লাহ তা’আলা বলেন,
وَيَا قَوْمِ اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ ثُمَّ تُوبُوا إِلَيْهِ يُرْسِلِ السَّمَاءَ عَلَيْكُم مِّدْرَارًا وَيَزِدْكُمْ قُوَّةً إِلَىٰ قُوَّتِكُمْ وَلَا تَتَوَلَّوْا مُجْرِمِينَ ﴿52﴾
“আর হে আমার সম্প্রদায়, তোমরা তোমাদের পালনকর্তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর, তারপর তাঁর কাছে তাওবা কর, তিনি আকাশ থেকে তোমাদের উপর প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টি বর্ষণ করবেন এবং তোমাদের শক্তি বৃদ্ধি করবেন। আর অপরাধীদের সাথে বন্ধুত্ব করো না।” সূরা হূদ ৫২
আল্লাহ তা’আলা অন্যত্র বলেন,
فَقُلْتُ اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُ كَانَ غَفَّارًا ﴿10﴾ يُرْسِلِ السَّمَاءَ عَلَيْكُم مِّدْرَارًا ﴿11﴾ وَيُمْدِدْكُم بِأَمْوَالٍ وَبَنِينَ وَيَجْعَل لَّكُمْ جَنَّاتٍ وَيَجْعَل لَّكُمْ أَنْهَارًا ﴿12﴾
“অতঃপর আমি বললাম, তোমরা তোমাদের পালনকর্তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর, নিশ্চয়ই তিনি সর্বদা ক্ষমাশীল। (১০) তিনি তোমাদের উপর প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন। (১১) এবং তিনি তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দ্বারা সমৃদ্ধ করবেন এবং তোমাদের জন্য বাগান তৈরি করবেন, নদী তৈরী করবেন।” সূরা নূহ ১০-১২।
৬- অন্তর পরিষ্কার করা: ক্ষমা চাওয়া পাপ এবং পাপের চিহ্নগুলিকে মুছে ফেলে এবং এর সাথে সংযুক্ত পাপ ও সীমালঙ্ঘনের দাগ থেকে হৃদয়কে পরিষ্কার করে।
৭- ইসতেগফার করা একজন বান্দার সর্বক্ষণিক প্রয়োজনঃ তাকে সারা রাত এবং দিনের শেষে ক্ষমা চাইতে হবে। বরং সে সবসময় কথায় এবং পরিস্থিতিতে, অনুপস্থিতিতে এবং উপস্থিতিতে, অন্তর এবং শারীরিক কাজগুলিতে শক্তি বৃদ্ধির প্রয়োজনে, ঈমানের দৃঢ়তা আনতে এটি করতে বাধ্য থাকিবে। কেননা ইহা উপকার বয়ে আনে, কল্যাণ বয়ে আনে এবং ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।
৮- সহনশীলতা, ধৈর্য এবং সত্য কথা বলাঃ যে ব্যক্তি চায় আল্লাহ তার সাথে সহনশীল আচরণ করুন তার উচিৎ এই গুনে গুণান্বিত হওয়া। ইসতেগফার বান্দাকে সহনশীল ও ধৈর্যশীল করে তোলে, জিহ্বাকে সোজা করে এবং সত্য কথা বলতে এবং সত্যকে পরিষ্কার করতে অভ্যস্ত করে তোলে।
৯- বেশী বেশী ইবাদাত এবং এই পৃথিবীতে তপস্যাঃ ইসতেগফার বা ক্ষমা চাওয়ার জন্য অনুশোচনা এবং তাওবা করা প্রয়োজন, এর জন্য তাকে বেশী বেশী ইবাদাত করতে হবে। আল্লাহ তা’আলা বলেন,
إِنَّ الْحَسَنَاتِ يُذْهِبْنَ السَّيِّئَاتِ ۚ ذَٰلِكَ ذِكْرَىٰ لِلذَّاكِرِينَ﴿114﴾
“প্রকৃতপক্ষে, ভালো কাজ মন্দ কাজকে মুছে দেয়, যারা স্মরণ করে তাদের জন্য এটি একটি উপদেশ।” সূরা হূদ ১১৪।
১০- গোনাহ মা’ফ হয় এবং মর্যাদা বৃদ্ধি করা হয়ঃ আল্লাহ তা’আলা বলেন,
﴿وَمَن يَعْمَلْ سُوءًا أَوْ يَظْلِمْ نَفْسَهُ ثُمَّ يَسْتَغْفِرِ اللَّهَ يَجِدِ اللَّهَ غَفُورًا رَّحِيمًا﴾ سورة النساء110
“যে গোনাহ করে কিংবা নিজের অনিষ্ট করে, অতঃপর আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, সে আল্লাহকে ক্ষমাশীল, করুণাময় পায়।” সূরা আন-নিসা ১১0।
আল্লাহ তা’আলা অন্যত্র বলেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا تُوبُوا إِلَى اللَّهِ تَوْبَةً نَّصُوحًا عَسَىٰ رَبُّكُمْ أَن يُكَفِّرَ عَنكُمْ سَيِّئَاتِكُمْ وَيُدْخِلَكُمْ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِن تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ﴿8﴾
“মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহ তা’আলার কাছে তওবা কর-আন্তরিক তওবা। আশা করা যায়, তোমাদের পালনকর্তা তোমাদের মন্দ কর্মসমূহ মোচন করে দেবেন এবং তোমাদেরকে দাখিল করবেন জান্নাতে, যার তলদেশে নদী প্রবাহিত।” সূরা আত-তাহরীম ৮
১১- ইহা রিযিকের প্রশস্ততা এবং সম্পদ ও সন্তান দ্বারা শক্তিবৃদ্ধি একটি কারণঃ নূহ আলাইহিস সালাম তাঁর সম্প্রদায়কে বলেছিলেন,
فَقُلْتُ اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ إِنَّهُ كَانَ غَفَّارًا ﴿10﴾ يُرْسِلِ السَّمَاءَ عَلَيْكُم مِّدْرَارًا ﴿11﴾ وَيُمْدِدْكُم بِأَمْوَالٍ وَبَنِينَ وَيَجْعَل لَّكُمْ جَنَّاتٍ وَيَجْعَل لَّكُمْ أَنْهَارًا ﴿12﴾
“অতঃপর আমি বললাম, তোমরা তোমাদের পালনকর্তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর, নিশ্চয়ই তিনি সর্বদা ক্ষমাশীল। (১০) তিনি তোমাদের উপর প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন। (১১) এবং তিনি তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দ্বারা সমৃদ্ধ করবেন এবং তোমাদের জন্য বাগান তৈরি করবেন, নদী তৈরী করবেন।” সূরা নূহ ১০-১২।
আল্লাহ তা’আলা অন্যত্র বলেন,
وَأَنِ اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ ثُمَّ تُوبُوا إِلَيْهِ يُمَتِّعْكُم مَّتَاعًا حَسَنًا إِلَىٰ أَجَلٍ مُّسَمًّى وَيُؤْتِ كُلَّ ذِي فَضْلٍ فَضْلَهُ ۖ وَإِن تَوَلَّوْا فَإِنِّي أَخَافُ عَلَيْكُمْ عَذَابَ يَوْمٍ كَبِيرٍ ﴿3﴾
“আর তোমরা নিজেদের পালনকর্তা সমীপে ক্ষমা প্রার্থনা কর। অতঃপর তাঁরই প্রতি মনোনিবেশ কর। তাহলে তিনি তোমাদেরকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত উৎকৃষ্ট জীবনোপকরণ দান করবেন এবং অধিক আমলকারীকে বেশী করে দেবেন আর যদি তোমরা বিমুখ হতে থাক, তবে আমি তোমাদের উপর এক মহা দিবসের আযাবের আশঙ্কা করছি।” সূরা হূদ ৩।
১২- এটি শরীরে শক্তি অর্জনের একটি কারণঃ
وَيَا قَوْمِ اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ ثُمَّ تُوبُوا إِلَيْهِ يُرْسِلِ السَّمَاءَ عَلَيْكُم مِّدْرَارًا وَيَزِدْكُمْ قُوَّةً إِلَىٰ قُوَّتِكُمْ وَلَا تَتَوَلَّوْا مُجْرِمِينَ ﴿52﴾
“আর হে আমার সম্প্রদায়, তোমরা তোমাদের পালনকর্তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর, তারপর তাঁর কাছে তাওবা কর, তিনি আকাশ থেকে তোমাদের উপর প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টি বর্ষণ করবেন এবং তোমাদের শক্তি বৃদ্ধি করবেন। আর অপরাধীদের সাথে বন্ধুত্ব করো না।” সূরা হূদ ৫২
১৩- এটি দুর্ভাগ্য প্রতিরোধ এবং দুর্যোগ দূর করার একটি কারণঃ দুর্ভাগ্য প্রায়শই পাপ এবং সীমালঙ্ঘনের কারণে ঘটে, যেমনটি আল্লাহ তা’আলা বলেছেন,
وَمَا أَصَابَكُم مِّن مُّصِيبَةٍ فَبِمَا كَسَبَتْ أَيْدِيكُمْ وَيَعْفُو عَن كَثِيرٍ﴿30﴾
“তোমাদের উপর যেসব বিপদ-আপদ পতিত হয়, তা তোমাদের কর্মেরই ফল এবং তিনি তোমাদের অনেক গোনাহ ক্ষমা করে দেন।” সূরা আশ-শূরা ৩০।
আল্লাহ তা’আলা আরো বলেন,
وَبَلَوْنَاهُم بِالْحَسَنَاتِ وَالسَّيِّئَاتِ لَعَلَّهُمْ يَرْجِعُونَ﴿168﴾
“তাছাড়া আমি তাদেরকে পরীক্ষা করেছি ভাল ও মন্দের মাধ্যমে যাতে তারা ফিরে আসে।” সূরা আল-আ’রাফ ১৬৮।
আল্লাহ তা’আলা অন্যত্র আরো বলেন,
فَأَنزَلْنَا عَلَى الَّذِينَ ظَلَمُوا رِجْزًا مِّنَ السَّمَاءِ بِمَا كَانُوا يَفْسُقُونَ﴿59﴾
“তারপর আমি অবতীর্ণ করেছি যালেমদের উপর আযাব, আসমান থেকে, নির্দেশ লংঘন করার কারণে।” সূরা আল-বাকারা ৫৯।
মুসিবত প্রায়শই পাপের কারণে ঘটে, তাই বান্দা যদি ক্ষমা প্রার্থনা করে এবং এই পাপ থেকে আন্তরিকভাবে অনুতপ্ত হয়, তবে আল্লাহর ইচ্ছায় বিপর্যয় চলে যাবে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন,
مَّا يَفْعَلُ اللَّهُ بِعَذَابِكُمْ إِن شَكَرْتُمْ وَآمَنتُمْ﴿147﴾
“তোমাদের আযাব দিয়ে আল্লাহ কি করবেন যদি তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর এবং ঈমানের উপর প্রতিষ্ঠিত থাক!” সূরা আন-নিসা ১৪৭।
১৪- ইসতেগফার করা অন্তরের শুভ্রতা, প্রশান্তি ও পবিত্রতার কারণঃ পাপ হৃদয়ে একটি খারাপ এবং অন্ধকার প্রভাব ফেলে, যেমনটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত হয়েছে,
((إِنَّ الْمُؤْمِنَ إِذَا أَذْنَبَ كَانَتْ نُكْتَةٌ سَوْدَاءُ فِي قَلْبِهِ، فَإِنْ تَابَ وَنَزَعَ وَاسْتَغْفَرَ، صُقِلَ قَلْبُهُ، وَإِنْ زَادَ زَادَتْ، حَتَّى يَعْلُوَ قَلْبَهُ ذَاكَ الرَّانُ الَّذِي ذَكَرَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ فِي الْقُرْآنِ: ﴿كَلَّا بَلْ رَانَ عَلَى قُلُوبِهِمْ مَا كَانُوا يَكْسِبُونَ﴾ [المطففين: 14]))
মুমিন যখন পাপ করে তখন তার অন্তরে একটি কালো দাগ পড়ে, যদি সে প্রত্যাবর্তন করে, পাপ বর্জন করে এবং ইসতেগফার করে তবে তার হৃদয়কে মসৃণ করা হয়। আর যদি সে এটি বৃদ্ধি করে তবে তা বৃদ্ধি পায়। শেষ পর্যন্ত তার হৃদয়কে আচ্ছাদিত করে ফেলে সেই মরিচা যা সর্বশক্তিমান আল্লাহ কোরআনে উল্লেখ করেছেনঃ (কখনও না, বরং তারা যা করে, তা ই তাদের হৃদয়ে মরিচা ধরিয়ে দিয়েছে।) [সূরা আল-মুতাফফিফীন ১৪]
ক্ষমা চাওয়া হল অন্তরে আটকে থাকা অন্ধকার এবং পাপ ও সীমালঙ্ঘন যা এটিকে আচ্ছাদিত করে রেখেছে তা দূর করার একটি উপায়।
১৫- ক্ষমা চাওয়া বান্দার প্রতি সর্বশক্তিমান প্রভুর ভালবাসা নিয়ে আসেঃ আল্লাহর ভালবাসা নিয়ামত হিসাবে যথেষ্ট। আল্লাহ তা’আলা বলেন,
﴿إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ التَّوَّابِينَ وَيُحِبُّ الْمُتَطَهِّرِينَ﴾
“নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারী এবং অপবিত্রতা থেকে যারা বেঁচে থাকে তাদেরকে পছন্দ করেন।” সূরা আল-বাকারা ২২২।